অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মে লয়্যালটি প্রোগ্রামের নাম করা হয় অনেক জায়গায়, কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সেটা শুধু কাগজে-কলমে থাকে। mcwaff ভিআইপি প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়েছে বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের কথা সত্যিকারভাবে মাথায় রেখে — যেখানে প্রতিটি সুবিধা বাস্তবে কাজ করে এবং পাওয়া যায়।
সবচেয়ে বড় পার্থক্য হলো আমাদের স্তর উন্নয়নের প্রক্রিয়া। mcwaff-এ ভিআইপি স্তর পাওয়ার জন্য কোনো গোপন শর্ত নেই, কোনো জটিল পয়েন্ট সিস্টেম নেই। আপনি যত ডিপোজিট করবেন এবং যত বেটিং করবেন, তত স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার স্তর উন্নত হবে। সিলভার থেকে গোল্ড, গোল্ড থেকে প্লাটিনাম, আর প্লাটিনাম থেকে ডায়মন্ড — পুরো যাত্রাটা স্বচ্ছ ও সহজবোধ্য।
ক্যাশব্যাক সিস্টেমটি অনেকের কাছে mcwaff ভিআইপির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক। প্রতি সপ্তাহে শেষে, আপনার সেই সপ্তাহের মোট নেট লসের একটি নির্দিষ্ট শতাংশ আপনার অ্যাকাউন্টে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। সিলভার সদস্যরা পান ৫%, গোল্ড পান ১০%, প্লাটিনাম পান ১৫% এবং ডায়মন্ড সদস্যরা পান সর্বোচ্চ ২০%। এই ক্যাশব্যাক সরাসরি আপনার মূল ব্যালেন্সে যোগ হয়, তাই ওয়েজারিং ছাড়াই উইথড্র করা যায়।
উইথড্রয়ের ক্ষেত্রে ভিআইপি সদস্যরা যে সুবিধা পান সেটা সত্যিই উল্লেখযোগ্য। একজন সাধারণ সদস্যের উইথড্র প্রসেস হতে যেখানে ১০ থেকে ১৫ মিনিট লাগে, সেখানে গোল্ড সদস্যের লাগে ৫ মিনিটের কম। প্লাটিনাম সদস্যরা পান অগ্রাধিকার প্রসেসিং, আর ডায়মন্ড সদস্যরা পান কার্যত তাৎক্ষণিক উইথড্র সুবিধা। এছাড়াও, ভিআইপি সদস্যদের একক উইথড্র সীমাও সাধারণ সদস্যদের তুলনায় বেশি।
প্লাটিনাম ও ডায়মন্ড স্তরের সদস্যদের জন্য mcwaff ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ম্যানেজারের সুবিধা দেয়। এই ম্যানেজার শুধু সমস্যা সমাধানের জন্য নয় — তিনি আপনার গেমিং অভিজ্ঞতাকে আরও ভালো করতে সক্রিয়ভাবে কাজ করেন। আপনার পছন্দের গেম, আপনার বেটিং ধরন এবং আপনার চাহিদা অনুযায়ী কাস্টম অফার তৈরি করে দেন তিনি।
ভিআইপি সদস্যরা mcwaff-এর বিশেষ টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান। এই টুর্নামেন্টগুলো সাধারণ সদস্যদের জন্য খোলা থাকে না। পুরস্কার তহবিলও হয় অনেক বড় — কারণ প্রতিযোগী কম, তাই জেতার সুযোগও বেশি। টুর্নামেন্টের তথ্য সরাসরি আপনার ব্যক্তিগত ম্যানেজার বা নোটিফিকেশনের মাধ্যমে পাঠানো হয়।